© 2017  Waliullah

Syed Waliullah, Pen Miscellany, Escape, 1950

‘পলায়ন’ শীর্ষক ছোটগল্পটি ‘পাকিস্তান পেন বিচিত্রা’য় ১৯৫০ সালে অপরাপর লেখকদের গল্পের সাথে প্রকাশিত হয়। গল্পটি ইংরেজিতে লেখা হয়েছিল।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ফেনী হাই স্কুলের ছাত্র থাকতেই লেখালিখি শুরু করেছিলেন। সেখানে তিনি ‘ভোরের আলো’ নামে একটি হাতে লেখা পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। তাঁর প্রথম ছোটগল্প ‘হঠাত আলোর ঝলকানি’ ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয় (সূত্র: দ্য আগলি এশিয়ান, নিয়াজ জামান-২০১৩)।   এরপর তিনি কলকাতার বিভিন্ন সাহিত্যপত্রিকায় ছোটগল্প প্রকাশ করা শুরু করেন। মূল গল্পটি পরবর্তীকালে লেখক সংশোধন করেন এবং সাথে একটি সংযোজনী জুড়ে দেন। এল, সি, মৈত্রী ফরাসি পত্রিকা ‘ওরিয়েন্ট’-এর জন্য ১৯৬২ সালে গল্পটি অনুবাদ করেন।

 

১৯৪৪ সালে ছাত্রথাকাকালীন সময়ে প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘নয়নচারা’ প্রকাশিত হয়। 

গ্রন্থভুক্ত গল্পগুলো হলো:

১.         নয়নচারা

২.         জাহাজি

৩.        পরাজয়

৪.         মৃত্যুযাত্রা

৫.         খুনি

৬.        রক্ত

৭.         খণ্ড চাঁদের বক্রতায়

৮.         সেই পৃথিবী

 

THIS  LIFE was published among other autors in a selection of contemporay creative writings "Under the green canopy" in 1966.

 

দুই তীর  (গল্পসংকলন)

১.         দুই তীর

২.         একটি তুলসী গাছের কাহিনী

৩.        পাগড়ি

৪.         কেরায়া

৫.         নিষ্ফল জীবন নিষ্ফল যাত্রা

৬.        গ্রীষ্মের ছুটি

৭.         মালেকা

৮.         স্তন

৯.         মতিনুদ্দির প্রেম

 

‘একটি তুলসী গাছের কাহিনী’ লেখক নিজেই ‘দ্য টেল অফ দ্য তুলসী ট্রি’ শিরোনামে মূল বাংলা থেকে অনুবাদ করেন। অনুবাদক নিয়াজ জামানকর্তৃক অনূদিত ও সম্পাদিত ‘একটি তুলসী গাছের কাহিনী’র  ইংরেজি সংস্করণে গল্পটি রয়েছে। ‘দ্য এসকেপ অ্যান্ড আদার স্টোরিজ অফ ১৯৪৭’-এ ‘এসকেপ’ নামে গল্পটি মুদ্রিত হয়েছে।

‘নিষ্ফল জীবন নিষ্ফল যাত্রা’ ইংরেজিতে ‘নো এনিমি’ শিরোনামে প্রথম রচিত হয় যা লেখক পরে অনুবাদ করেন। মূল ইংরেজি সংস্করণ নিয়াজ জামানকর্তৃক ‘ফ্রম দ্য ডেল্টা : ইংলিশ ফিকশন ফ্রম বাংলাদেশ’ হিসেবে ২০০৫ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৯৭ সালে হ্যান্স হার্ডার ‘দাই হোরেন’ নামে জার্মান ভাষায় ‘নো এনিমি’ অনুবাদ করেন।

‘কেরায়া’ গল্পটি লেখক স্বয়ং ‘কার্গো’ নামে অনুবাদ করেন। ১৯৫৮ সালে পাকিস্তান কোয়ার্টারলি পত্রিকায় বাংলা থেকে অনূদিত হয়। পরে ‘মাহফিল’ পত্রিকায় এটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে এই গল্পটি ‘কার্গামেন্টো’ নামে মেক্সিকান পত্রিকা ‘রিভিস্তা এল কুয়েন্তো’-তে ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। এবং ১৯৭৪ সালে ফরাসি ‘হোভ্যু এসপ্রিত’ পত্রিকায় অনূদিত এবং প্রকাশিত হয়। 

 

নিয়াজ জামান ‘দুধ মা’ ইংরেজিতে ‘দ্য ওয়েট নার্স’ শিরোনামে অনুবাদ করে ‘নিউ এজ’ পত্রিকার ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সংখ্যায় প্রকাশ করার পাশাপাশি ‘দ্য ইংলিশ রাইটিংস অফ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্’ শীর্ষক একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন।